দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় Ways to reduce high blood pressure quickly

Ways to reduce high blood pressure quickly 

দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় Ways to reduce high blood pressure quickly

উচ্চ রক্তচাপ বা হাই ব্লাড প্রেসার একটি বিপজ্জনক শারীরিক অবস্থা । ধমনীর দেয়ালের বিরুদ্ধে রক্ত ​​চাপের শক্তি ক্রমাগতভাবে খুব বেশি হলে, নানা রকম সমস্যা হতে পারে । উচ্চ রক্তচাপের জন্য দীর্ঘমেয়াদী যত্নের জন্য নানা রকম পদ্ধতির প্রয়োজন হতে পারে। আজ আমরা আলোচনা করব দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় নিয়ে ।

প্রথমত কথা হল চিকিৎসা ব্যবস্থার বাইরে রক্তচাপ কমানোর কোনো দ্রুত এবং নিরাপদ উপায় নেই। লাইফস্টাইল পরিবর্তন যা ব্যায়াম, ডায়েট এবং স্ট্রেস কমানোর কৌশলগুলিকে অন্তর্ভুক্ত করে সময়ের সাথে সাথে স্বাভাবিকভাবেই রক্তচাপ কমাতে পারে।

উচ্চ-রক্তচাপ-কি-What-Is-High-Blood-Pressure

উক্ত রক্তচাপ হলে কি হতে পারে ? What can happen if the blood pressure?

উচ্চ রক্তচাপ হলে হার্ট অ্যাটাক এবং স্ট্রোক উভয়ই হওয়ার সম্ভাবনা থাকে।এ ছারাও ডায়াবেটিস ও অন্যান্য নানা ধরনের রোগ বালাই হবার সম্ভাবনা থাকে ।

রক্তচাপ সম্পর্কে জানতে হলে রক্তচাপের সংখ্যাগুলি জানা খুব গুরুত্বপূর্ণ, সাধারণত উচ্চ রক্ত চাপ এর ক্ষেত্রে উপরের চাপ ১৪০ এর উপর এবং নিচের চাপ ৮০ এর উপরে থাকলে উচ্চরক্তচাপ হিসেবে গণ্য করা হয় । তবে এই মাত্রা এক এক জনের বেলায় এক এক ধরনের হয়ে থাকে ।

আপনার যদি উচ্চ রক্তচাপ থাকে তবে আপনি সেই সংখ্যাগুলি কমিয়ে আনতে চাইবেন। আপনার রক্তচাপ কমানোর সর্বোত্তম উপায় সম্পর্কে আপনার ডাক্তারের সাথে কথা বলুন। আমারা এখানে কিছু পরামর্শ দিয়েছি এই গুলো মেনে চলতে পারলে এই রোগ থেকে মুক্তির সম্ভাবনা বেশী । 

উক্ত রক্তচাপের কারণ কি? What is the cause of blood pressure?

শারীরিক শক্তি প্রয়োগ বা ব্যায়াম করার সময় অথবা এক কাপ কফি পান করার পরে রক্তচাপের স্বল্পমেয়াদী স্পাইক অনুভব করা স্বাভাবিক। কিন্তু যখন আপনার রক্তচাপ এসব কারন ছাড়াও বেশি থাকে, তখন এটাকে “উচ্চ রক্তচাপ” নামে  অভিহিত করা হয় ।

উচ্চ রক্তচাপের অনেক কারণ রয়েছে,তার মধ্যে কিছু বিষয় উল্লেখ করা যেতে পারে :- 

  • নির্দিষ্ট জিন থাকা 
  • অতিরিক্ত লবণ খাওয়া
  • অতিরিক্ত ওজন বা স্থূলতা থাকা
  • অত্যধিক অ্যালকোহল পান করা
  • অবস্ট্রাকটিভ স্লিপ অ্যাপনিয়া হওয়া
  • পর্যাপ্ত শারীরিক কার্যকলাপ না করা 
  • দীর্ঘদিন ধরে ঘুমের সমস্যা থাকলে
  • শারীরিক ও মানসিকভাবে চাপে থাকলে

উচ্চ রক্তচাপের লক্ষণগুলি কী কী ? What are the symptoms of high blood pressure?

আমাদের মাঝে অনেকেই আছে যে, কোন ভাবেই নিশ্চিত হতে পারি না যে, উচ্চ রক্তচাপ আছে কিনা ? এর একমাত্র উপায় হল একজন ভাল  রক্তচাপ চিকিৎসক এর তত্ত্বাবধানে থেকে নিবিড় ভাবে পর্যবেক্ষণ করা । এক এক জনের বেলায় এক এক ধরনের রক্তচাপ এর মাত্রা থাকতে পারে । এসব বিষয় নির্ধারণ একমাত্র বিশেষজ্ঞ ডাক্তার করতে পারেন ।

নিম্নে কিছু উচ্চ রক্তচাপের প্রধান প্রধান লক্ষণ রয়েছে যা আপনাকে কিছুটা বুঝতে সহায়তা করবে । এর মাধ্যমে প্রাথমিক একটা ধারনা পেতে সাহায্য করবে । আসুন তাহলে জেনে নেই এই প্রধান লক্ষন গুলো কি ?

  • মাথাব্যথা
  • নাক দিয়ে রক্ত ​​পড়া
  • মাথা ঘোরা
  • ত্বকের ফ্লাশিং (লালভাব)
  • রক্তাক্ত প্রস্রাব
  • দৃষ্টিতে আকস্মিক পরিবর্তন
  • বুক ব্যাথা
  • নিঃশ্বাসের দুর্বলতা
  • কথা বলতে সমস্যা হচ্ছে
  • হঠাৎ পিঠে ব্যথা
  • অসাড়তা বা দুর্বলতা
  • বমি বমি ভাব
  • বমি হওয়া 
  • ঘাড় বাথা 

রক্তচাপ কমাতে কতক্ষণ লাগে ? How long does it take to reduce blood pressure?   

রক্তচাপ কমাতে কতক্ষণ লাগে ? এটা নির্ভর করে আপনার উচ্চরক্তচাপ এর পরিমান কত তার উপর । বাজারে রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণের জন্য নানা ধরনের ঔষধ রয়েছে এগুলো অ্যান্টি-হাইপারটেনসিভ নামে পরিচিত । যা রক্তচাপ কমিয়ে আনতে সাহায্য করে থাকে। তবে এর কোন কিছুই ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া গ্রহণ করা ঠিক না ।

হঠাৎ হাই প্রেসার কেন হয় ? Why suddenly high pressure?

  • রক্তচাপ সম্পর্কে না জানা 
  • হাই ব্লাড প্রেসার এর চিকিৎসা না করা 
  • মানসিক চাপ
  • নির্দিষ্ট কিছু রোগ
  • বংশগত বা জীন গত 
  • নির্দিষ্ট কিছু ঔষধ
  • ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া ঔষধ বন্ধ করা 
  • ঔষধ খেতে ভুলে যাওয়া বা অনিয়মিত ঔষধ খাওয়া 
What Is blood pressure

হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয়, What to do in case of sudden high pressure 

হঠাৎ হাই প্রেসার হলে প্রথমেই শান্ত হয়ে থাকতে হবে । কোন ভাবেই ঘাবড়ানো যাবে না । ১০ মিনিট বিরতি দিয়ে আরেকবার প্রেসার মেপে দেখতে হবে । যদি আপনার প্রেসার উপরের চাপ ১৬০ থেকে ১৮০ এর বেশী এবং নিচের চাপ ১০০ বা ১২০ এর বেশী হয় তা হলে আর দেরী করা যাবে না ।

দ্রুত একজন রক্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের কাছে নিয়ে যেতে হবে অথবা ডাক্তার ডাকতে হবে । অবশ্যই রক্ত বিশেষজ্ঞ ডাক্তার হতে হবে । অথবা যে কোন হাসপাতালের ইমারজেন্সি বিভাগে নিয়ে যেতে হবে এবং ডাক্তার কে সব খুলে বলতে হবে । ডাক্তারের তত্ত্বাবধানে চিকিৎসা চলবে ।

হঠাৎ হাই প্রেসার হলে মাত্র কয়েক মিনিটের মধ্যে রক্তচাপকে সাময়িকভাবে কমানোর বিভিন্ন উপায় রয়েছে – আপনি যদি অবিলম্বে আপনার রক্তচাপ কমাতে চান তবে নিচের এই পদ্ধতিগুলি ব্যবহার করে দেখতে পারেন : –

  • একটি উষ্ণ স্নান বা ঝরনার নিচে দাড়িয়ে ১৫ থেকে ২০ মিনিট ধরে গোসল করে  উষ্ণ জল উপভোগ করুন। এটি পেশীর টান কমাতেও সাহায্য করতে পারে।
  • একটি শ্বাস প্রসাস ব্যায়াম এর মাধ্যমে আপনার রক্তচাপ কমাতে পারেন । এর জন্য প্রথমে একটি গভীর শ্বাস নিন, প্রায় কিছু সময়ের জন্য আপনার শ্বাস ধরে রাখুন, তারপর ধীরে ধীরে শ্বাস ছাড়ুন। কয়েক মুহুর্তের জন্য বিরতি দিন এবং পুনরাবৃত্তি করুন।
  • শিথিল বা স্ট্রেস হল উচ্চ রক্তচাপের মূল অবদানকারী একটি পদ্ধতি, শিথিল করার জন্য আপনি যা করতে পারেন তা করুন। এটি করার জন্য একটি শান্ত ঘরে কয়েক মুহুর্তের জন্য বসে থাকা, এবং কয়েকটি স্ট্রেচিং ব্যায়াম করা, একটি ভাল বই পড়া বা ধ্যান করার মতো সহজ কিছু কসরত করতে পারেন ।

উপরের এই কৌশলগুলি একটি দ্রুত সমাধান প্রদান করতে পারে, তবে আপনার উচ্চ রক্তচাপ সফলভাবে পরিচালনা করার জন্য একটি দীর্ঘমেয়াদী যত্ন পরিকল্পনা বাস্তবায়ন করা গুরুত্বপূর্ণ। রক্তচাপ কমানোর সবচেয়ে কার্যকরী কিছু উপায় হল:-

  • অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে 
  • ধূমপান পরিহার করতে হবে 
  • অ্যালকোহল এবং ক্যাফেইন গ্রহণ বাদ দিতে হবে
  • ঘুমকে প্রাধান্য দিতে হবে 
  • যদি সম্ভব হয় চাপপূর্ণ পরিস্থিতি এরিয়ে চলতে হবে 
  • কম সোডিয়াম, চিনি, পরিশোধিত কার্বোহাইড্রেট এবং প্রক্রিয়াজাত খাবার খেতে হবে 
  • নিয়মিত কম-প্রভাব ব্যায়ামে নিযুক্ত (প্রতিদিন প্রায় ৩০ মিনিট)
  • রক্তচাপ কমানোর জন্য ওষুধ খেতে হবে ( ডাক্তার এর পরামর্শে )

রক্তচাপ কমানোর নানা উপায় আছে । নিম্নে আমরা কিছু কার্যকরী উপায় নিয়ে আলোচনা করেছি । এই গুলো রক্ত চাপ কমাতে যথেষ্ট ভুমিকা পালন করে থাকে । আসুন জেনে নেই  

শরীরের অতিরিক্ত ওজন কমাতে হবে  

প্রকৃতপক্ষে আপনার ওজন যদি বেশি হয়, তবে সেটা নিয়ম অনুসারে কমিয়ে রক্তচাপ কমাতে সাহায্য করতে পারেন।ওজন  

কমানোর মাধ্যমে স্লিপ অ্যাপনিয়ার সমস্যাও কমাতে সহায়তা পাওয়া যায় ।

 স্লিপ অ্যাপনিয়া হল যখন আপনি ঘুমানোর সময় আপনার শ্বাস সংক্ষিপ্তভাবে একাধিকবার বন্ধ হয়ে যায়।এটিকে অনেকে  বোবা ভুতে ধরা রোগ ও বলে থাকে (এটি আপনার রক্তচাপ বাড়াতে পারে এবং আপনার হৃদস্পন্দনকে অনিয়মিত করে তুলতে পারে।) 

স্বাস্থ্যকর খাওয়া দাওয়া এবং একটি নিয়মিত ব্যায়ামের অবিচলিত একটি মিশ্রণের মাধ্যমে ওজন ধীরে ধীরে কমাতে পারেন।

নিয়মিত আপনার রক্তচাপ এর  রিডিং পরীক্ষা করুন, এবং আপনার লক্ষ্য পরিসরে থাকার চেষ্টা করুন।সফলতা হাতের নাগালে ধরা দিবে এতে কোন সন্দেহ নেই । 

স্বাস্থ্যকর খাবার খেতে হবে 

হাইপারটেনশন বন্ধ করার জন্য ডায়েটারি অ্যাপ্রোচেস নামক একটি প্রোগ্রামকে অনেকে রক্তচাপ পরিচালনা এবং কমানোর ক্ষেত্রে সেরা ডায়েট বলে মনে করেন। এটিতে লেগে থাকুন এবং দেখুন আপনার সিস্টোলিক রক্তচাপ ৪ থেকে ১৪পয়েন্ট কমে যাবে।

খাবার তালিকা থেকে যে সব খাবার বাদ দিতে হবে এবং এই নিয়ম কঠোর ভাবে মেনে চলতে হবে :-

  • চিনি
  • লবণ
  • কার্বোহাইড্রেট
  • ক্যাফেইন
  • অ্যালকোহল 
  • প্রক্রিয়াকরণ খাবার 
  • স্যাচুরেটেড ফ্যাট জাতীয় খাবার

খাবার তালিকায় যে সব খাবার যুক্ত করতে হবে :-

  • ফল এবং শাকসবজি, বিশেষ করে বেরি, যা অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে বেশি

আস্ত শস্যদানা ।

  • উচ্চ-প্রোটিন খাবার, যেমন লবণবিহীন বাদাম
  • পটাসিয়াম এবং ম্যাগনেসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন শাক-সবুজ বা মটরশুটি
  • ক্যালসিয়াম সমৃদ্ধ খাবার যেমন কম চিনিযুক্ত দই

নিয়মিত ব্যায়াম করতে হবে 

সপ্তাহের বেশিরভাগ দিন কমপক্ষে আধা ঘন্টা ব্যায়াম করুন।  এর ফল নাটকীয় হতে পারে:- রক্তচাপ ৪ থেকে ১০ পয়েন্ট কমে যেতে সাহায্য করবে । 

মনে রাখবেন ব্যায়াম শুধুমাত্র জিমে যাওয়া নয়। এটি হতে পারে বাগান করা, আপনার গাড়ি ধোয়া বা বাড়ির যে কোন কাজ হতে পারে। 

কিছু হালকা ব্যায়াম আপনার হৃদস্পন্দনকে বাড়িয়ে দেয় এর মধ্যে হল বায়বীয় কার্যকলাপ,  যেমন হাঁটা, নাচ, জগিং, বাইক চালানো এবং সাঁতার কাটা এগুলো আপনার হার্টের  জন্যও উপকারী।

সোডিয়াম যুক্ত খাবার কম খেতে হবে

রক্তচাপ বাড়ার জন্য এটি একটি অন্যতম কারন । উচ্চ রক্তচাপের রোগীদের এটি দিনে ১৫০০ মিলিগ্রামের নিচে রাখার জন্য আমেরিকান হার্ট অ্যাসোসিয়েশন সব সময় সুপারিশ করে । 

প্রতিদিন মাত্র ২৪০০ মিলিগ্রামে সোডিয়াম সীমিত রাখতে পারলে আপনার সংখ্যা ২ থেকে ৪ পয়েন্ট কমিয়ে দিতে সাহায্য করতে পারে। আর এটি করার জন্য বাড়িতে আপনার খাবার তৈরি করা। 

খাবার তৈরি করার সময় স্বাদের জন্য লবণের পরিবর্তে বেশী মশলা ব্যবহার করা যেতে পারে । বেশি পটাসিয়াম যুক্ত খাবার  খাওয়া যেমন কলা, কিশমিশ, টুনা এবং দুধের মতো খাবারে পাওয়া যায় আপনার শরীর থেকে সোডিয়াম সরাতে সাহায্য করে। একটি ছোট প্রচেষ্টা রক্তচাপকে দুই থেকে আট পয়েন্ট পর্যন্ত কমিয়ে আনতে পারে অনায়াসে ।

দেহ ও মনের উপর থেকে স্ট্রেস কমাতে হবে 

মানসিক চাপ সব সময় রক্তচাপ কে প্রভাবিত করে থাকে । চাপ কমানো আপনার রক্তচাপ স্বাভাবিক রাখতে সাহায্য করে। চাপ মুক্ত জীবন যাপন করতে যা যা করনীয় চেষ্টা করুন । 

যোগব্যায়াম বা ধ্যান মানসিক চাপ কমাতে সাহায্য করে থাকে । তাছাড়া মন ভাল করার মত সঙ্গীত শুনতে পারেন  । একটি সমীক্ষায় দেখা গেছে যে, সঙ্গীত শুনা ও বাজানোর অনেক উপকারিতা রয়েছে যা শারীরিক কার্যকলাপের মতো রক্তচাপ কমাতে অনেক সাহায্য করে।

স্ট্রেস নিয়ন্ত্রণ করার চেষ্টা করতে পারেন তার মধ্যে রয়েছে:-

  • বাস্তবসম্মত দৈনিক লক্ষ্য নির্ধারণ করুন: আপনার অগ্রাধিকারগুলো নির্ধারণ করুন এবং অতিরিক্ত কিছু করার চেষ্টা থেকে বিরত থাকুন । নিজের উপর চাপ কমান ।
  • স্ট্রেস থেকে দূরে থাকা: আপনি যদি জেনে থাকেন যে এমন কিছু বা এমন কেউ আপনাকে স্ট্রেস দেয়, তাহলে সেগুলি এড়িয়ে চলুন বা যথাসাধ্য চেষ্টা করুন।
  • সময় বের করুন : আপনার পছন্দের কিছু করুন এবং দিনের বেলা বিরতি নিন। হাঁটাহাঁটি করুন বা ধ্যান করার জন্য একটি শান্ত জায়গা খুঁজে নিন বা কিছু গভীর শ্বাস নিন।
  • প্রশংসা করা: কৃতজ্ঞ হওয়া এবং সেই কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করা আপনাকে আরও ভাল বোধ করতে সাহায্য করবে ।আপনার চারপাশের লোকদের সাথে মিলে মিশে থাকুন ।
  • কম অ্যালকোহল পান করুনঃ আপনি আপনার সিস্টোলিক রক্তচাপ ২ থেকে ৪ পয়েন্ট কমিয়ে আনতে পারেন যখন আপনি নিজেকে দিনে একটি অ্যালকোহলযুক্ত পানীয় এর মধ্যে সীমাবদ্ধ করে রখতে পারেন । 
  • প্রেসক্রিপশনযুক্ত ওষুধ নিনঃ কিছু লোকের জন্য, জীবনযাত্রার পরিবর্তন এর পরেও অনেক সময় রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণে রাখতে পারেন না । এক্ষেত্রে অনেকের ওষুধেরও প্রয়োজন হয়।ডাক্তারের পরামর্শ অনুযায়ী এটি গ্রহণ করা গুরুত্বপূর্ণ। 

দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় ,Ways to reduce high blood pressure quickly 

দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর উপায় নিয়ে আজকে মূলত আমাদের আলোচনার বিষয় । সবাই এই বিষয় টি নিয়ে দ্বিধা দন্দে থাকে । আশা করি আমাদের এই লিখাটি পড়ার পর আপনার সব দ্বিধা দন্দ কেটে যেতে  সাহায্য করবে ।

মূল কথা হল রক্তচাপ কমাতে সময় দিতে হবে  এবং কোন দ্রুত সমাধান বা কৌশল নিলে হিতে বিপরীত হবার সম্ভাবনা বেশী দেখা দিতে পারে । খুব দ্রুত রক্তচাপ কমানো দেহের জন্য খুব বিপজ্জনক হতে পারে।দ্রুত হাই প্রেসার কমাতে গেলে অনেক সময় উপকারের চেয়ে ক্ষতির সম্ভাবনা থাকে । ডাক্তারের পরামর্শ ছাড়া কখনোই দ্রুত হাই প্রেসার কমানোর চিন্তা করবেন না । 

বেশিরভাগ জীবনধারা পরিবর্তন এবং চিকিৎসার সাথে যুক্ত থাকুন, আপনার রক্তচাপ কমবে।

  • শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম অনুশীলন করা যা আপনার হৃদস্পন্দনকে ধীর করে দেয় এবং শিথিলতা বাড়ায়
  • শুয়ে শুয়ে ১০ মিনিট বিশ্রাম নিন
  • একটি স্বাস্থ্যকর খাদ্য খাওয়ার অভ্যাস করুন
  • ওজন হ্রাস (যদি প্রয়োজন হয়)
  • নিয়মিত ব্যায়াম করুন 
  • অ্যালকোহল পান সীমিত করা
  • ধূমপান বন্ধ করুন 
  • নির্দেশিত হিসাবে আপনার ঔষধ গ্রহণ করুন 
  • লবণ পরিহার করুন 
  • বেশি করে পানি পান করুন 
  • দিনে একটি কলা খাওয়ার অভ্যাস করুন ।

প্রশ্ন ও উত্তরঃ- 

প্রশ্নঃ  হঠাৎ হাই প্রেসার হলে করণীয় কি ?

উঃ- উপরের লেখাটি ভালভাবে পড়ুন ।

প্রশ্নঃ প্রাকৃতিক উপায়ে প্রেসার কমানো যায় কি ?

উঃ- যায় ।

অনুরোধ

আশা করি আমাদের এই লেখাটি আপনার ভাল লেগেছে । যদি আমরা আপনার সামান্য উপকারে আসি তবে আমাদের এই লেখাটি আপনার বন্ধুদের সাথে শেয়ার করতে পারেন । অথবা লাইক ,কমেন্ট করে আমাদের সাথে থাকুন । আমরা আরও লেখা নিয়ে হাজির হব ইনশাল্লাহ । আপনার কোন মূল্যবান মতামত অথবা কিছু জানার আগ্রহ থাকলে আমাদের জানাতে পারেন । আমরা অবশ্যই উত্তর দিতে সচেষ্ট থাকবো । আপনার মূল্যবান কোন লেখা আমাদের বিডি নিউজ ওয়ালে পোস্ট করতে চাইলে আমাদের সাথে যোগাযোগ করতে পারেন অথবা মেইল করতে এইখানে ক্লিক করুন । আমাদের সাথে থাকার জন্য আপনাকে ধন্যবাদ ।

  • বিডি নিউজ ওয়াল ফেসবুক গ্রুপে যোগ দিয়ে আমাদের সাথে থাকুন এবং যেকোনো প্রশ্ন করুতেঃ এখানে ক্লিক করুন
  • বিডি নিউজ ওয়াল ফেসবুক পেইজ লাইক করে সাথে থাকুনঃ এই পেজ ভিজিট করুন।
  • বিডি নিউজ ওয়াল ইউটিউব চ্যানেল সাবস্ক্রাইব করতে এখানে ক্লিক করুন এবং দারুণ সব ভিডিও দেখুন।
  • গুগল নিউজে বিডি নিউজ ওয়াল সাইট ফলো করতে এখানে ক্লিক করুন তারপর ফলো করুন।
  • বিডি নিউজ ওয়াল সাইটে বিজ্ঞাপন দিতে চাইলে যোগাযোগ করুন এই লিংকে
  • বিডি নিউজ ওয়াল এর সব তথ্য জানতে ভিজিট করুন এই সাইট।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *